বেইজিং সময় ৮ অক্টোবর, এনবিএ প্রিসিজনে টিম্বারউলভস অতিথি হয়ে পেসার্সের মুখোমুখি। গত মৌসুমে চোটে পুরো মৌসুম শেষ হওয়ার পর ৪৭২ দিন পর হ্যালিবার্টনের প্রত্যাবর্তনের প্রথম ম্যাচ। ১৬ মিনিটে ৭ পয়েন্ট ও ৬ অ্যাসিস্ট করে তিনি আগেই মাঠ ছাড়েন। প্রথমার্ধে পেসার্স ৪ পয়েন্টে পিছিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ধীরে ধীরে দুই অঙ্কের ব্যবধানে এগিয়ে যায়। শেষে পেসার্স ১২৩-১১২-এ টিম্বারউলভসকে হারিয়ে প্রিসিজনের শুভ সূচনা করে।

পরিসংখ্যান

টিম্বারউলভস: এডওয়ার্ডস ৪টি থ্রি-পয়েন্টারসহ ১৯ পয়েন্ট, সান চিউ ১৪ পয়েন্ট ৪ রিবাউন্ড ৭ অ্যাসিস্ট, ম্যাকড্যানিয়েলস ৪টি থ্রিসহ ১৬ পয়েন্ট, কুমিঙ্গা ৯-এ ১ করে ২ পয়েন্ট, হাইল্যান্ড ১০ পয়েন্ট।

পেসার্স: হ্যালিবার্টন ৭ পয়েন্ট ৬ অ্যাসিস্ট, নেস্মিথ ৪টি থ্রিসহ ১৯ পয়েন্ট, সিয়াকাম ১০ পয়েন্ট, শেপার্ড ১৩ পয়েন্ট, হাফ ১৬ পয়েন্ট।

ম্যাচের তারকা
ডান অ্যাকিলিস টেন্ডন ছিঁড়ে পুরো মৌসুম শেষ হওয়ার পর ৪৭২ দিন পর হ্যালিবার্টনের প্রত্যাবর্তনের প্রথম ম্যাচ। তিনি শুরুর একাদশে ১৬ মিনিট ০৭ সেকেন্ড খেলে ৮-এ ৩ করে মাত্র ৭ পয়েন্ট, ৬ অ্যাসিস্ট ও ২ ব্লক করেন। তাঁকে এখনও ছন্দ খুঁজতে হচ্ছে।
ম্যাচ পর্যালোচনা
এ ম্যাচে টিম্বারউলভসের ডিভিনচেঞ্জো নেই। পেসার্সের মূল খেলোয়াড় হ্যালিবার্টনের প্রত্যাবর্তনের প্রথম ম্যাচ। প্রথম কোয়ার্টারের শুরুতে এডওয়ার্ডসের থ্রি ম্যাচের প্রথম বাস্কেট। হ্যালিবার্টনের মিডরেঞ্জ তাঁর ফেরার প্রথম বাস্কেট। হ্যালিবার্টন টানা দুটি বড় ব্লক দেন। নেস্মিথ মিডরেঞ্জে স্কোর করেন। এডওয়ার্ডসের ধারাবাহিক পয়েন্টে ১১-২ রানে উল্টে ৭ পয়েন্টের ব্যবধান। জুবাচ স্ল্যাম ডাঙ্ক করেন। টিম্বারউলভস টানা ৪ পয়েন্ট করে। পেসার্স টানা থ্রিতে ২২-৪ রান করে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে যায়। সান চিউ টানা দুটি থ্রি করে ঘাটতি কমান। উব্রে দুটি ফ্রি থ্রোই করেন। প্রথম কোয়ার্টার শেষে টিম্বারউলভস ২৭-৩২-এ পেসার্সের পিছে।
দ্বিতীয় কোয়ার্টারে পেসার্সের থ্রিতে ব্যবধান ৬ পয়েন্ট বাড়ে। টিম্বারউলভস টানা ৪ পয়েন্ট কষে। এরপর লড়াই চলতে চলতে টিম্বারউলভস ৩৭-৪১-এ পিছিয়ে থাকে। টিম্বারউলভসের ৯-০ রানে উল্টে যায়। তারপর থ্রিতে গুলি চালিয়ে ৪৯-৪৩-এ এগিয়ে যায়। হ্যালিবার্টন স্কোর ও পাস মিলিয়ে দলকে ৫৬-৫৬-এ আনেন। এরপর টিম্বারউলভস আবার এগিয়ে যায়। কোয়ার্টারে ৩৮-২৯, নীট ৯ পয়েন্ট। অর্ধবিরতিতে টিম্বারউলভস ৬৫-৬১-এ পেসার্সকে উল্টে দেয়। প্রথম দুই কোয়ার্টারে টিম্বারউলভসের থ্রি ১৯-এ ১২। এডওয়ার্ডস ৮-এ ৫, ৪টি থ্রিসহ কার্যকর ১৯ পয়েন্ট। ম্যাকড্যানিয়েলস ১১ পয়েন্ট, সান চিউ ১১+৪+৭। পেসার্সের থ্রি ১৫-এ ৭। নেস্মিথ ১৯, সিয়াকাম ও টপিন প্রত্যেকে ১০ পয়েন্ট। হ্যালিবার্টন ৮-এ ৩ করে ৭+৬।
বিরতি থেকে ফেরার সময় হ্যালিবার্টন আগেই মাঠ ছাড়েন। কিন্তু তৃতীয় কোয়ার্টারে পেসার্সের আগুন বাড়ে। এ ম্যাচে প্রথমবার এক কোয়ার্টারে ৩৫+ পয়েন্ট। প্রথম ২ মিনিটে টিম্বারউলভস ৭১-৬৮-এ এগিয়ে। পেসার্স নানা জায়গা থেকে ১১-২ রানে ৬ পয়েন্ট উল্টে যায়। পরে ব্যবধান বেড়ে টিম্বারউলভস ৭৮-৮৬-এ পিছিয়ে পড়ে। হাইল্যান্ডের থ্রিতে টিম্বারউলভস ৯১-৯৪ পর্যন্ত আসে। পেসার্স টানা ৫ পয়েন্ট করে। কোয়ার্টারে ২৬-৩৮, ১২ পয়েন্ট হারে। তিন কোয়ার্টার শেষে টিম্বারউলভস ৯১-৯৯-এ পেসার্সের পিছে। প্রথম তিন কোয়ার্টারে টিম্বারউলভসের থ্রি ৩১-এ ১৮। এডওয়ার্ডসের ১৯ পয়েন্টসহ ৪ জনের স্কোর দ্বিসংখ্যায়। পেসার্সের থ্রি ২৮-এ ১৫। নেস্মিথের ১৯ পয়েন্টসহ ৪ জনের স্কোর দ্বিসংখ্যায়।
চতুর্থ কোয়ার্টারে টিম্বারউলভস আগে ৭-২ রানে ঘাটতি কমায়। পেসার্স টানা ৫ পয়েন্ট করে ব্যবধান ধরে রাখে। কোডি জ্যাকসনের ওপর দিয়ে ডাঙ্ক করেন। জ্যাকসন ধাক্কা দিয়ে টেকনিক্যাল ফাউল খান। হাইল্যান্ড একটি ফ্রি থ্রো করেন। ওয়াকার লেআপে স্কোর করেন। টিম্বারউলভস টানা ৪ পয়েন্ট করে ব্যবধান ৩-এ নামিয়ে আনে। পেসার্স ভেতর-বাইরে মিলিয়ে ৯-২ রানে ব্যবধান বাড়ায়। টিম্বারউলভস ভেতর দিকে চাপ দিয়ে এক অঙ্কের ঘাটতিতে আসে। কিন্তু পেসার্স নানা জায়গা থেকে ১২৩-১১০-এ এগিয়ে যায়। উল্টানোর শক্তি আর থাকে না। শেষে টিম্বারউলভস ১১২-১২৩-এ পেসার্সের কাছে হেরে প্রিসিজনে প্রথম হারের মুখে পড়ে।
দুই দলের শুরুর একাদশ
টিম্বারউলভস: সান চিউ, এডওয়ার্ডস, ম্যাকড্যানিয়েলস, কুমিঙ্গা, গোবেয়ার
পেসার্স: হ্যালিবার্টন, নেমবহার্ড, নেস্মিথ, সিয়াকাম, জুবাচ
(লেখা: জুইও ফুশেং)
2026-10-08 12:18 তারিখে পরিবর্তিত হয়েছে
পরবর্তী নিবন্ধ: নেই
বাংলা তথ্য[0]
বাংলা তথ্য[0]